আপনার কত বড় সোলার সিস্টেম লাগবে?
বিদ্যুৎ বিল দিয়ে ৩০ সেকেন্ডে হিসাব করুন, অথবা যন্ত্র ধরে ধরে কিংবা এক্সপার্ট মোডে নিজের মতো করে। আমরা প্যানেল, ইনভার্টার ও ব্যাটারির সঠিক মাপ আর আনুমানিক খরচ বের করে দেব।
মাসের বিদ্যুৎ বিল দিন
গরমকালের একটা সাধারণ মাসের বিল দিলে হিসাব সবচেয়ে কাছাকাছি হবে।
এসি বা পাম্প থাকলে জানান — ইনভার্টারের মাপ ঠিকমতো ধরা হবে।
এই মোডে বিল দেওয়া ঐচ্ছিক — দিলে সাশ্রয়ের হিসাব আরও নিখুঁত হবে।
আপনার আনুমানিক হিসাব
জুন ২০২৬ থেকে কার্যকর সরকারি আবাসিক ট্যারিফ স্ল্যাব ধরে বিল থেকে ইউনিট বের করা হয়েছে।
আরও নিখুঁত হিসাব চাইলে “যন্ত্র বেছে বেছে” ট্যাবে গিয়ে বাসার যন্ত্রগুলো যোগ করুন।
লোড বেছে নিন
যেগুলো আপনার আছে সেগুলোতে ক্লিক করুন। ওয়াট চাইলে বদলাতে পারবেন।
আপনার লোড তালিকা (০)
সংখ্যা আর দিনে কত ঘণ্টা চলে সেটা ঠিক করে দিন।
সরাসরি ইনপুট দিন
লোড প্রোফাইল আগে থেকেই জানা থাকলে এখানে সরাসরি দিন। পরের ধাপে সিস্টেম লস, DoD-সহ অ্যাডভান্সড সেটিংস পাবেন।
আপনার ইনপুট
সার্জ-প্রবণ লোড (মোটর, পাম্প, কম্প্রেসর) থাকলে সর্বোচ্চ লোডে সেটার স্টার্টিং কারেন্ট মাথায় রেখে দিন — ইঞ্জিন ১.২৫× হেডরুম ধরবে।
সিস্টেম সেটিংস
বাংলাদেশের গড় রোদ ও আপনার ব্যাকআপের প্রয়োজন অনুযায়ী ঠিক করুন।
🛠 অ্যাডভান্সড সেটিংস — এক্সপার্টদের জন্য
আপনার জন্য প্রস্তাবিত সিস্টেম
নিচের হিসাবটি আনুমানিক। চূড়ান্ত ডিজাইনের জন্য আমাদের সাথে কথা বলুন।
প্রস্তাবিত যন্ত্রপাতি
রেডি প্যাকেজে নিতে চাইলে
প্যাকেজে প্যানেল ও ইনভার্টারের সাথে ডিসি সুরক্ষা ও ক্যাবলও ধরা আছে, ইনস্টলেশন আলাদা।
সোলার ক্যালকুলেটর কীভাবে কাজ করে?
SurjoX সোলার ক্যালকুলেটর আপনার মাসিক বিদ্যুৎ বিল বা যন্ত্রের তালিকা থেকে বের করে দেয় কত কিলোওয়াট সোলার সিস্টেম লাগবে, কয়টি সোলার প্যানেল, কত বড় ইনভার্টার ও ব্যাটারি দরকার — সাথে আনুমানিক দাম, মাসিক সাশ্রয় আর কত বছরে খরচ উঠে আসবে। মূল সূত্র: প্রয়োজনীয় kW = দৈনিক ব্যবহার (kWh) ÷ (দৈনিক রোদ × সিস্টেম এফিশিয়েন্সি); বাংলাদেশে দিনে গড়ে ৪.৫ ঘণ্টা কার্যকর রোদ ও ~৭৫% এফিশিয়েন্সি ধরা হয়।
সাশ্রয়ের হিসাবে ব্যবহার হয় জুন ২০২৬ থেকে কার্যকর সরকারি আবাসিক ট্যারিফ স্ল্যাব — তাই ফলাফল আন্দাজ নয়, আপনার বিলের কাঠামো ধরেই।
বাংলাদেশে সোলার সিস্টেমের দাম কত? (২০২৬)
২০২৬ সালে ভালো মানের N-Type মনো প্যানেলের দাম প্রতি ওয়াট প্রায় ২০–২২ টাকা। SurjoX-এর স্টকে থাকা প্রোডাক্টের বর্তমান দাম:
| প্রোডাক্ট | দাম (৳) |
|---|---|
| LONGi ৬২০W N-Type সোলার প্যানেল | ১২,৯৫০ |
| LVTOPSUN ৪kW হাইব্রিড ইনভার্টার | ৩৮,৪০০ |
| LVTOPSUN ৬kW হাইব্রিড ইনভার্টার | ৫১,৬০০ |
| ৫.১২ kWh LiFePO₄ ব্যাটারি (৫১.২V ১০০Ah) | ১,১২,৮০০ |
| ১.৫ kW হাইব্রিড সোলার প্যাকেজ | ৭৩,৮০০ |
সোলার প্যানেল, হাইব্রিড ইনভার্টার, লিথিয়াম ব্যাটারি, নেট মিটার ও রেডি সোলার প্যাকেজের সর্বশেষ দাম ক্যাটাগরি পেজে দেখুন।
বিদ্যুৎ বিলে মাসে কত টাকা সাশ্রয় হবে?
সোলারে যত ইউনিট বাঁচে, তা বিলের সবচেয়ে দামি ধাপ থেকে কাটা যায়। জুন ২০২৬ থেকে কার্যকর আবাসিক ট্যারিফ স্ল্যাব (লাইফলাইন ও প্রথম ধাপের বর্ধিত দাম প্রত্যাহারের পর):
| ধাপ (ইউনিট) | রেট (৳/kWh) |
|---|---|
| লাইফলাইন ০–৫০ | ৪.৬৩ |
| ০–৭৫ | ৫.২৬ |
| ৭৬–২০০ | ৮.৫০ |
| ২০১–৩০০ | ৯.১০ |
| ৩০১–৪০০ | ৯.৬২ |
| ৪০১–৬০০ | ১৫.০১ |
| ৬০০ এর ঊর্ধ্বে | ১৭.৩৫ |
সর্বশেষ যাচাই: সেপ্টেম্বর ২০২৬ — পল্লী বিদ্যুতের প্রকৃত বিলের সাথে টাকায়-টাকায় মিলিয়ে দেখা। এর সাথে ডিমান্ড চার্জ, মিটার ভাড়া ও ৫% ভ্যাট যুক্ত হয়।
সোলার ক্যালকুলেটর নিয়ে সাধারণ প্রশ্ন (FAQ)
কত ওয়াট সোলার প্যানেল লাগবে কীভাবে হিসাব করব?
সূত্র: প্রয়োজনীয় কিলোওয়াট = দৈনিক ব্যবহার (kWh) ÷ (দৈনিক রোদ ৪.৫ ঘণ্টা × সিস্টেম এফিশিয়েন্সি ~৭৫%)। যেমন দিনে ৫ kWh ব্যবহার করলে লাগবে প্রায় ১.৫ kW সোলার। উপরের ক্যালকুলেটরে বিদ্যুৎ বিল দিলেই এই হিসাব স্বয়ংক্রিয়ভাবে হয়ে যায়।
বাংলাদেশে ১ কিলোওয়াট সোলার সিস্টেমের দাম কত?
২০২৬ সালে ভালো মানের N-Type মনো সোলার প্যানেলের দাম প্রতি ওয়াট প্রায় ২০–২২ টাকা, অর্থাৎ ১ kW প্যানেল ~২১–২৩ হাজার টাকা। ইনভার্টার ও ব্যাটারিসহ হাইব্রিড সিস্টেম শুরু হয় আনুমানিক ৭০ হাজার টাকা থেকে — যেমন SurjoX ১.৫ kW হাইব্রিড প্যাকেজ ৳৭৩,৮০০।
সোলার দিয়ে মাসে কত টাকা বিদ্যুৎ বিল সাশ্রয় হয়?
সাশ্রয় নির্ভর করে আপনার ট্যারিফ স্ল্যাবের ওপর। জুন ২০২৬ থেকে উপরের ধাপগুলোর দাম ইউনিটপ্রতি ৳১৫.০১–১৭.৩৫ পর্যন্ত, তাই যাদের বিল বেশি তারা প্রতি সোলার-ইউনিটে সবচেয়ে বেশি বাঁচান। ক্যালকুলেটর আপনার বিলের স্ল্যাব ধরে প্রকৃত সাশ্রয় দেখায়।
নেট মিটারিং কী এবং কারা করতে পারবেন?
নেট মিটারিংয়ে দিনের বাড়তি সোলার বিদ্যুৎ গ্রিডে দিয়ে মাস শেষে বিল সমন্বয় করা যায়। সাধারণত অনুমোদিত (sanctioned) লোডের ৭০% পর্যন্ত সোলার বসানো যায় এবং DPDC/DESCO/পল্লী বিদ্যুতের অনুমোদন নিতে হয়।
হাইব্রিড, অন-গ্রিড ও অফ-গ্রিড সোলারের পার্থক্য কী?
হাইব্রিড সিস্টেমে গ্রিড + ব্যাটারি থাকে, তাই লোডশেডিংয়েও বাসা চলে। অন-গ্রিডে ব্যাটারি নেই — খরচ সবচেয়ে কম, নেট মিটারিং হয়, কিন্তু লোডশেডিংয়ে বন্ধ থাকে। অফ-গ্রিড পুরোপুরি ব্যাটারিনির্ভর — যেখানে গ্রিড নেই সেখানকার জন্য।
১ টন এসি চালাতে কত ওয়াট সোলার লাগে?
১ টন ইনভার্টার এসির চলন্ত লোড সাধারণত ১২০০–১৫০০ ওয়াট। দিনে ৬–৮ ঘণ্টা চালাতে চাইলে ব্যাটারিসহ অন্তত ২–৩ kW হাইব্রিড সিস্টেম দরকার হয়। ক্যালকুলেটরে "এসি আছে" অপশন দিলে ইনভার্টারের সঠিক মাপসহ হিসাব পাবেন।
আরও জানতে কল করুন ০১৭১১-৪৫৬১৬৬ নম্বরে অথবা ঢাকার কাপ্তান বাজার কমপ্লেক্সে SurjoX শোরুমে আসুন — ২০১৭ সাল থেকে আমরা LONGi, SolaX, LVTOPSUN ও EcoFlow-এর অথরাইজড সোলার সরঞ্জাম সরবরাহ করছি।