সোলার সিস্টেমের সবচেয়ে দামি অংশ ব্যাটারি, আর সবচেয়ে আগে নষ্ট হয় সেটাই। তাই লিথিয়াম (LiFePO4) নাকি চিরচেনা লেড-অ্যাসিড — এই সিদ্ধান্তটা ভেবে নেওয়া দরকার।
মূল পার্থক্যগুলো
| বিষয় | LiFePO4 (লিথিয়াম) | লেড-অ্যাসিড |
|---|---|---|
| আয়ু (সাইকেল) | ৩,০০০–৬,০০০+ | ৫০০–১,২০০ |
| কতটা ব্যবহার করা যায় | ৮০–৯০% | ৫০% (এর বেশি নিলে আয়ু কমে) |
| ওজন | প্রায় এক-তৃতীয়াংশ | ভারী |
| মেইনটেন্যান্স | নেই | পানি চেক করতে হয় (ফ্লাডেড টাইপে) |
| চার্জিং | দ্রুত | ধীর |
| শুরুর দাম | বেশি | কম |
আসল খরচ কোনটায় কম?
শুরুর দাম দেখে অনেকে লেড-অ্যাসিড নেন। কিন্তু হিসাবটা করতে হয় প্রতি kWh প্রতি সাইকেলে। ১০০Ah লেড-অ্যাসিড থেকে বাস্তবে পাওয়া যায় প্রায় অর্ধেক ক্ষমতা, আর ২–৩ বছরেই বদলাতে হয়। একই সময়ে LiFePO4 প্রায় পুরো ক্ষমতা দেয় এবং ৮–১০ বছর চলে। ৫–৭ বছরের হিসাবে লিথিয়ামই সাধারণত সস্তা পড়ে।
ভোল্টেজ কোনটা নেবেন
- ১২.৮V — ছোট সিস্টেম, ফ্যান-লাইট, ক্যাম্পিং, ছোট পাম্প।
- ২৫.৬V — মাঝারি লোড, ২৪V ইনভার্টারের সাথে।
- ৫১.২V — ৩ kW বা তার বেশি হাইব্রিড সিস্টেম, যেমন ৫ কিলোওয়াট প্যাকেজ। কারেন্ট কম থাকে, তাই তার পাতলা লাগে ও লস কম হয়।
নিয়ম সহজ: ইনভার্টারের ভোল্টেজের সাথে ব্যাটারির ভোল্টেজ মিলতে হবে। ৪৮V (৫১.২V) ইনভার্টারে ২৪V ব্যাটারি চলবে না।
কেনার আগে যা দেখবেন
- BMS আছে কি না — ওভারচার্জ, ওভার-ডিসচার্জ ও শর্ট সার্কিট থেকে বাঁচায়। ভালো LiFePO4 ব্যাটারিতে বিল্ট-ইন BMS থাকে।
- সেল গ্রেড — গ্রেড-A সেল আর রিসাইকেল করা সেলের আয়ুতে বিরাট পার্থক্য।
- ওয়ারেন্টি ও ইনভয়েস — প্রতিটা অর্ডারের সাথে ইনভয়েস ও ওয়ারেন্টি কার্ড নিন।
SurjoX-এ LVTOPSUN LiFePO4 ব্যাটারি ১২.৮V, ২৫.৬V ও ৫১.২V — তিন ভোল্টেজেই পাওয়া যাচ্ছে। কোনটা আপনার ইনভার্টারের সাথে যাবে বুঝতে না পারলে ০১৭১১-৪৫৬১৬৬-এ কল করুন।

মন্তব্য করুন