প্যাকেজ কেনার পর প্রশ্নটা আসেই — সোলার সিস্টেম কি নিজে বসানো যায়? ছোট উত্তর: হাইব্রিড সিস্টেমে কাজ করতে হয় উঁচু ডিসি ভোল্টেজ আর ছাদের কাঠামো নিয়ে — দুটোতেই ভুলের দাম বড়, তাই অভিজ্ঞ ইলেকট্রিশিয়ান দিয়ে বসানোই নিরাপদ পথ। কেন, সেটা নিচে খোলাখুলি লিখলাম।
ইনস্টলেশনে আসলে কী কী কাজ?
কাজগুলো মোটা দাগে পাঁচটা: ছাদে মাউন্টিং কাঠামো বসানো ও প্যানেল আটকানো; প্যানেলগুলো স্ট্রিংয়ে জোড়া; ডিসি সুরক্ষা (ফিউজ, ব্রেকার, সার্জ প্রোটেকটর) বসানো; ইনভার্টার ও ব্যাটারির সংযোগ ও সেটিং; আর শেষে ঘরের বোর্ডের সঙ্গে সংযোগ। প্রতিটি ধাপেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার বিষয় আছে — তার, ফিউজ আর ব্রেকারের সাইজ লোড অনুযায়ী হতে হয়।
ঝুঁকিগুলো কোথায়?
প্রথম ঝুঁকি ভোল্টেজ মিলানোতে। কয়েকটা প্যানেল সিরিজে জোড়া লাগালে ভোল্টেজ যোগ হতে থাকে; সেটা ইনভার্টারের সীমা ছাড়িয়ে গেলে ইনভার্টার নষ্ট হতে পারে। দ্বিতীয় ঝুঁকি ডিসি কারেন্ট: এসি লাইনের মতো ডিসি লাইন ছেড়া যায় না, ভুল সংযোগে আর্ক (স্ফুলিঙ্গ) হয়। তৃতীয়টা সাধারণ: ছাদে কাজ, ওয়াটারপ্রুফিং নষ্ট হলে ছাদ চুঁইয়ে যাওয়া।
প্যাকেজ কিনলে কোন ঝুঁকিটা কমে?
ডিজাইনের ঝুঁকিটা। আলাদা আলাদা যন্ত্র কিনলে সবচেয়ে বড় ভয় যন্ত্রে যন্ত্রে অমিল — প্যানেলের ভোল্টেজ ইনভার্টারের সীমায় না মেলা, ব্যাটারি ইনভার্টারের চাহিদামতো কারেন্ট দিতে না পারা। আমাদের কমপ্লিট প্যাকেজগুলোতে প্রতিটি মিলের হিসাব আগে থেকেই করে প্রতিটি প্যাকেজ পেজে দেখিয়ে দেওয়া আছে। তবে সৎ কথাটা হলো: ডিজাইন মিলে গেলেও বসানোর কাজটা থেকেই যায়, আর সেটা অভিজ্ঞ হাতেই মানায়।
নিজে কোন কাজগুলো করতে পারেন?
লোডের তালিকা বানানো, সোলার ক্যালকুলেটরে মাপ যাচাই, ছাদের ছায়ামুক্ত জায়গা মাপা, আর প্যানেলে ধুলো জমলে পরিষ্কার করা — এগুলো সবার কাজ। বিদ্যুতের সংযোগের কাজটাই শুধু অভিজ্ঞদের জন্য রেখে দিন।
কোথা থেকে শুরু করবেন?
আগে মাপ ঠিক করুন — কত কিলোওয়াট লাগবে লেখাটা দিয়ে শুরু করতে পারেন। তারপর ০১৭১১-৪৫৬১৬৬ নম্বরে কল করে ছাদ আর লোডের কথা বলুন, অথবা কাপ্তান বাজারের শোরুমে এসে সরাসরি কথা বলুন — কাপ্তান বাজার কমপ্লেক্স, ভবন ০১ (১ম তলা), দোকান নং ১৮৯, ঢাকা ১২০৩। পরামর্শ ফ্রি।

মন্তব্য করুন