ইনভার্টার সোলার সিস্টেমের মস্তিষ্ক — প্যানেলের ডিসি বিদ্যুৎকে এসি করে আপনার ফ্যান, ফ্রিজ, এসি চালায়। কিন্তু তিন ধরনের ইনভার্টার আছে, আর ভুলটা নিলে পুরো সিস্টেমই কাজে আসে না।
অন-গ্রিড ইনভার্টার
জাতীয় গ্রিডের সাথে যুক্ত থাকে, ব্যাটারি লাগে না। দিনে সোলার থেকে বিদ্যুৎ পান, বাড়তি থাকলে গ্রিডে যায় (নেট মিটারিং থাকলে বিলে সমন্বয় হয়)।
ভালো দিক: সবচেয়ে কম খরচ, বিল সবচেয়ে বেশি কমে।
সমস্যা: লোডশেডিং হলে এটাও বন্ধ হয়ে যায় — নিরাপত্তার কারণেই গ্রিড গেলে অন-গ্রিড ইনভার্টার বন্ধ হয়। ব্যাকআপ পাবেন না।
অফ-গ্রিড ইনভার্টার
গ্রিডের সাথে কোনো সম্পর্ক নেই। প্যানেল + ব্যাটারি দিয়েই পুরো লোড চলে।
ভালো দিক: গ্রিড না থাকলেও চলে — দুর্গম এলাকা, চর, পাহাড়ি অঞ্চলের জন্য উপযুক্ত।
সমস্যা: বড় ব্যাটারি ব্যাংক লাগে, খরচ বেশি। টানা কয়েকদিন মেঘলা থাকলে বিপদ।
হাইব্রিড ইনভার্টার
দুটোরই সুবিধা এক জায়গায় — প্যানেল, ব্যাটারি ও গ্রিড, তিনটাই সামলায়। দিনে সোলারে চলে, বাড়তি দিয়ে ব্যাটারি চার্জ হয়, লোডশেডিং হলে সাথে সাথে ব্যাটারিতে চলে যায়।
বাংলাদেশের জন্য কেন উপযুক্ত: আমাদের এখানে গ্রিড আছে কিন্তু নির্ভরযোগ্য নয়। হাইব্রিড ইনভার্টার বিদ্যুৎ বিলও কমায়, আবার লোডশেডিংয়েও ঘর অন্ধকার হয় না। এজন্যই আমাদের ৩ kW, ৫ kW ও ১০ kW — সব কমপ্লিট প্যাকেজেই হাইব্রিড ইনভার্টার দেওয়া হয়।
ইনভার্টার বাছাইয়ের সময় যা দেখবেন
- ক্ষমতা (kW) — একসাথে সর্বোচ্চ কত লোড চলবে তার চেয়ে অন্তত ২০–২৫% বেশি নিন।
- সার্জ ক্যাপাসিটি — ফ্রিজ, পাম্প, এসি চালু হওয়ার মুহূর্তে স্বাভাবিকের ২–৩ গুণ কারেন্ট টানে।
- ব্যাটারি ভোল্টেজ — ২৪V নাকি ৪৮V, ব্যাটারির সাথে মিলিয়ে নিন।
- MPPT না PWM — MPPT চার্জ কন্ট্রোলার PWM-এর চেয়ে ২০–৩০% বেশি বিদ্যুৎ তুলতে পারে।
- পিওর সাইন ওয়েভ — ফ্রিজ, এসি ও ইলেকট্রনিক্সের জন্য জরুরি।
SurjoX-এ হাইব্রিড ও অন-গ্রিড — দুই ধরনের ইনভার্টারই পাওয়া যায়। কোনটা আপনার লোডের সাথে যাবে জানতে ০১৭১১-৪৫৬১৬৬-এ কল করুন, অথবা সোলার ক্যালকুলেটর দিয়ে নিজেই হিসাব করে নিন।

মন্তব্য করুন