SurjoX · অন-গ্রিড সোলার সিস্টেম
১ কিলোওয়াট অন-গ্রিড সোলার প্যাকেজ
একটি সম্পূর্ণ অন-গ্রিড সোলার সিস্টেমের প্রতিটি যন্ত্রাংশ একসঙ্গে: ২টি প্যানেল (মোট ১,২৪০ ওয়াট), SolaX X1-MINI-1.1K-G4 অন-গ্রিড ইনভার্টার, ডিসি সুরক্ষা আর ক্যাবল।
অন-গ্রিড মানে ব্যাটারি নেই। দিনের বেলা প্যানেলের বিদ্যুৎ সরাসরি ঘরের লোডে যায়, বাড়তি থাকলে মিটার হয়ে গ্রিডে ফেরত যায়। এতে খরচ হাইব্রিডের তুলনায় অনেক কম, কিন্তু লোডশেডিংয়ে এটি কিছুই চালাবে না। কেন, সেটা নিচে খোলাখুলি লেখা আছে।
- ১,২৪০ Wসোলার অ্যারে
- ৪.৪ইউনিট / দিন (গড়)
- ১,১০০ Wঅন-গ্রিড ইনভার্টার
- ৫.৪ m²ছাদ লাগবে
দাম ভেঙে দেখানো
এই প্যাকেজে কী কী আছে
প্রতিটি যন্ত্রাংশ এই সাইটেই আলাদা করে বিক্রি হয়। নিচের দামগুলো সেই পেজগুলোর দাম, নামের ওপর ক্লিক করে মিলিয়ে দেখতে পারেন।
| যন্ত্রাংশ | সংখ্যা | একক দাম | মোট |
|---|---|---|---|
| LONGi 620W Hi-MO 7 সোলার প্যানেল | ২টি | ৳ ১২,৯৫০ | ৳ ২৫,৯০০ |
| SolaX X1-MINI-1.1K-G4 সিঙ্গেল-ফেজ অন-গ্রিড ইনভার্টার | ১টি | ৳ ১৯,৫০০ | ৳ ১৯,৫০০ |
| ANDELI ADB3Z-63 ডিসি সার্কিট ব্রেকার 600V ২ পোল | ১টি | ৳ ২,২৪৯ | ৳ ২,২৪৯ |
| ANDELI ADL-10PV ডিসি সোলার ফিউজ 1000V | ২টি | ৳ ৬৫০ | ৳ ১,৩০০ |
| ANDELI ডিসি সার্জ প্রোটেকশন ডিভাইস ২ পোল | ১টি | ৳ ৫,১০০ | ৳ ৫,১০০ |
| TKG 6RM সোলার ডিসি ক্যাবল ৬ mm², ৫০ মিটার | ১টি | ৳ ৮,০০০ | ৳ ৮,০০০ |
| আলাদা আলাদা কিনলে | ৳ ৬২,০৪৯ | ||
| প্যাকেজ দাম | ৳ ৫৮,৪০০ | ||
| সাশ্রয় | ৳ ৩,৬৪৯ (৫.৯%) |
টেবিলটি ডানে সরিয়ে দেখুন
দাম যন্ত্রাংশের, ইনস্টলেশন আলাদা। ডিসি ব্রেকার ও ফিউজের দাম সবচেয়ে কম রেটিংয়ের ভ্যারিয়েন্ট ধরে হিসাব করা; বড় রেটিং নিলে সামান্য বাড়তে পারে।
সিস্টেমটা কীভাবে সাজানো
অন-গ্রিড ইনভার্টারে ব্যাটারির কোনো পোর্ট নেই। এটি দুটো কাজ করে: প্যানেলের ডিসিকে এসি বানায়, আর সেই এসি ঘরের লাইনে ছেড়ে দেয়। আলাদা চার্জ কন্ট্রোলার বা ব্যাটারি ব্যাংক লাগে না, তাই যন্ত্রাংশ কম আর রক্ষণাবেক্ষণও কম।
হিসাব খোলা রাখা
দিনে কত ইউনিট বিদ্যুৎ পাবেন
হিসাবটা কীভাবে করা
প্যানেলের গায়ে লেখা ওয়াট হলো ল্যাবের আদর্শ অবস্থায় (২৫°C, ১০০০ W/m²) মাপা। ছাদে বাস্তবে তার চেয়ে কম পাওয়া যায়। তাই দুটো সংখ্যা লাগে:
- পিক সান আওয়ারবাংলাদেশে সারা বছরের গড়ে দিনে প্রায় ৪.৬ ঘণ্টার সমান পূর্ণ রোদ পাওয়া যায়।
- পারফরম্যান্স রেশিওতাপ, ইনভার্টারের লস, ধুলা আর তারের লস মিলিয়ে প্রায় ২২% কমে যায়। বাকি থাকে ৭৮%।
| কখন | পিক সান আওয়ার | হিসাব | দিনে ইউনিট |
|---|---|---|---|
| শীতের পরিষ্কার দিন | ৫.৫ | ১,২৪০ × ৫.৫ × ০.৮ | ৫.৫ |
| সারা বছরের গড় | ৪.৬ | ১,২৪০ × ৪.৬ × ০.৭৮ | ৪.৪ |
| বর্ষার টানা মেঘলা দিন | ১.৮ | ১,২৪০ × ১.৮ × ০.৭৮ | ১.৭ |
টেবিলটি ডানে সরিয়ে দেখুন
কোনো সোলার সিস্টেম প্যানেলের গায়ে লেখা পুরো ওয়াট ঘরে পৌঁছে দেয় না। যে দোকান লস না ধরে হিসাব দেখায়, তাদের সংখ্যা বাস্তবের চেয়ে প্রায় ২৮% বেশি হয়।
যেটা কেউ আগে বলে না
লোডশেডিংয়ে কী হবে
সোজা উত্তর: কিছুই চলবে না। গ্রিড চলে গেলে অন-গ্রিড ইনভার্টার নিজে থেকেই বন্ধ হয়ে যায়, দুপুরে ভরপুর রোদ থাকলেও।
এটা যন্ত্রের দোষ নয়, নিরাপত্তার নিয়ম। একে বলে অ্যান্টি-আইল্যান্ডিং সুরক্ষা। গ্রিড বন্ধ থাকার সময় যদি আপনার ইনভার্টার লাইনে বিদ্যুৎ ছাড়তে থাকে, লাইনে কাজ করা লাইনম্যান বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হতে পারেন। তাই দুনিয়ার সব অন-গ্রিড ইনভার্টারেই এটি বাধ্যতামূলক।
| অবস্থা | প্যানেল | ঘরে বিদ্যুৎ |
|---|---|---|
| দিনের বেলা, গ্রিড আছে | উৎপাদন করছে | সোলার থেকে চলছে, বিল কমছে |
| রাত, গ্রিড আছে | উৎপাদন নেই | পুরোটা গ্রিড থেকে |
| লোডশেডিং, দিনে | উৎপাদন বন্ধ | কিছুই চলবে না |
| লোডশেডিং, রাতে | উৎপাদন নেই | কিছুই চলবে না |
টেবিলটি ডানে সরিয়ে দেখুন
লোডশেডিংয়ে ব্যাকআপ দরকার হলে অন-গ্রিড নয়, হাইব্রিড প্যাকেজ নিতে হবে, সেখানে ব্যাটারি থাকে বলে দাম বেশি।
বাড়তি বিদ্যুৎটা কোথায় যায়
নেট মিটারিং না থাকলে বাড়তিটা এমনিই চলে যায়
দিনে ঘরে যতটুকু লোড, ততটুকু সোলার থেকে সরাসরি খরচ হয়, এই অংশটাতেই আসল সাশ্রয়। বাড়তি যা থাকে সেটা গ্রিডে চলে যায়।
নেট মিটারিং অনুমোদন থাকলে সেই বাড়তি ইউনিট মিটারে জমা হয় আর বিলে সমন্বয় হয়। অনুমোদন না থাকলে বাড়তিটা বিনামূল্যেই গ্রিডে চলে যায়, তার কোনো টাকা ফেরত পাবেন না।
- দিনের বেলা বাড়িতে বা অফিসে লোড থাকলে এই সিস্টেম থেকে সবচেয়ে বেশি লাভ। সারাদিন ঘর ফাঁকা থাকলে লাভ অনেক কমে যায়।
- X1-MINI G4-তে এক্সপোর্ট পাওয়ার কন্ট্রোল বিল্ট-ইন। নেট মিটারিং না থাকলে এক্সপোর্ট শূন্যে সেট করে রাখা যায়, তাতে অনুমোদন ছাড়া গ্রিডে বিদ্যুৎ যাওয়ার ঝামেলা এড়ানো যায়।
- নেট মিটারিং করতে বিতরণ কোম্পানির (DPDC, DESCO, NESCO, BREB, PDB) অনুমোদন লাগে, আর অনুমোদিত লোডের একটা নির্দিষ্ট শতাংশ পর্যন্ত সিস্টেম বসানো যায়। আপনার এলাকার নিয়ম আগে যাচাই করে নিন।
যেটা কেউ দেখায় না
যন্ত্রাংশগুলো একে অন্যের সঙ্গে খাপ খায় কি না
এই চারটে হিসাব না মিললে সিস্টেম হয় চলবে না, নয়তো কিছু একটা পুড়বে। প্রতিটি সংখ্যা যন্ত্রাংশের নিজের ডেটাশিট থেকে নেওয়া।
| যাচাই | যা দরকার | যা আছে | ফল |
|---|---|---|---|
| অ্যারের ওয়াট | ১,২৪০ W | ইনভার্টার নেয় ২,২০০ Wp পর্যন্ত | মেলে |
| স্ট্রিংয়ের ভোল্টেজ (১০°C-এ) | ২ × ৫০.৫ = ১০১ V | সর্বোচ্চ PV ইনপুট ৪৫০ V | মেলে |
| কাজের ভোল্টেজ | ২ × ৪০.৯ = ৮২ V | MPPT রেঞ্জ ৪০–৪৫০ V | মেলে |
| স্ট্রিং কারেন্ট | প্যানেল দেয় ১৫.১৬ A | ইনভার্টার নেয় ১৬ A পর্যন্ত | মেলে |
টেবিলটি ডানে সরিয়ে দেখুন
- ডিসি-এসি রেশিও ১.১৩। ইনভার্টারের রেটেড ওয়াটের চেয়ে অ্যারে একটু বড় রাখা হয়েছে, কারণ ছাদে প্যানেল কখনোই পুরো রেটেড ওয়াট দেয় না। SolaX এই সিরিজে ২০০% পর্যন্ত ওভারসাইজিং অনুমোদন করে, তাই এটি নিরাপদ সীমার অনেক ভেতরে।
- একটাই MPPT, একটাই স্ট্রিং। তাই সব প্যানেল সিরিজে বসে, প্যারালেল স্ট্রিং নেই, এ কারণে ফিউজ আসলে বাধ্যতামূলক নয়। প্যাকেজে দুটো ফিউজ ধরা আছে স্পেয়ার হিসেবে আর পরে অ্যারে বাড়ালে কাজে লাগবে বলে।
- স্ট্রিং ছোট বলে সকালে চালু হতে একটু দেরি হয়। ইনভার্টারের স্টার্ট-আপ ভোল্টেজ ৫০ V; দুটো প্যানেলে ভোরের কম আলোতে সেটা ছাড়াতে একটু সময় লাগে, বিকালেও একটু আগে বন্ধ হয়। প্যানেল বাড়ালে এই সময়টা বাড়ে।
দামে কী কী ধরা নেই
এই দাম শুধু যন্ত্রাংশের। নিচের কাজগুলো আলাদা, কারণ এগুলোর খরচ আপনার ছাদ, দূরত্ব আর বাড়ির ওয়্যারিংয়ের ওপর নির্ভর করে।
- ছাদের মাউন্টিং স্ট্রাকচার
- ইনস্টলেশন ও কমিশনিং
- এসি সাইডের ওয়্যারিং, ডিস্ট্রিবিউশন বোর্ড ও এসি ব্রেকার
- আর্থিং ও লাইটনিং অ্যারেস্টার
- নেট মিটার, নেট মিটারিংয়ের আবেদন ও ফি
অভিজ্ঞতা বলে এগুলোতে যন্ত্রাংশের দামের ওপর আরও ১৫ থেকে ২৫% যোগ হয়। ছাদ দেখে সঠিক হিসাব দিতে পারব, +৮৮০ ১৭১১ ৪৫৬১৬৬ নম্বরে কল করুন।
কাদের জন্য এই প্যাকেজ
ছোট ফ্ল্যাট বা দোকান, যেখানে দিনের বেলা কয়েকটা বাতি, ফ্যান আর একটা ফ্রিজ চলে। বিলের একটা অংশ কমানোর সবচেয়ে কম খরচে শুরু।
নিজের বিদ্যুৎ বিল মিলিয়ে দেখতে চাইলে: মাসের ইউনিটকে ৩০ দিয়ে ভাগ করুন, সেটাই আপনার দৈনিক চাহিদা। এই প্যাকেজ দিনে গড়ে ৪.৪ ইউনিট দেয়, অর্থাৎ মাসে প্রায় ১৩৩ ইউনিট।
প্রশ্নোত্তর
- লোডশেডিংয়ে চলবে?
- না। গ্রিড না থাকলে অন-গ্রিড ইনভার্টার বন্ধ থাকে, রোদ থাকলেও। ব্যাকআপ চাইলে হাইব্রিড সিস্টেম নিতে হবে।
- পরে ব্যাটারি যোগ করা যাবে?
- এই ইনভার্টারে ব্যাটারির পোর্ট নেই, তাই যাবে না। পরে ব্যাকআপ দরকার হলে ইনভার্টারটাই হাইব্রিড দিয়ে বদলাতে হয়; প্যানেল, স্ট্রাকচার আর ডিসি সুরক্ষা তখনও কাজে লাগবে।
- নেট মিটারিং ছাড়া বসানো যাবে?
- যাবে। তখন এক্সপোর্ট শূন্যে সেট করে শুধু ঘরের লোড মেটানোর জন্য চালানো হয়। বাড়তি উৎপাদন কাজে লাগবে না, তাই সেই অনুযায়ী অ্যারের মাপ ঠিক করা ভালো।
- বিল কত কমবে?
- দিনে আপনি যতটুকু ইউনিট নিজে খরচ করবেন, ততটুকুর দাম বাঁচবে। মাসে প্রায় ১৩৩ ইউনিট উৎপাদন হয়; এর কতটুকু কাজে লাগবে সেটা নির্ভর করে দিনে আপনার ঘরে কতটা লোড থাকে তার ওপর। টাকার অংক আপনার স্ল্যাব রেটের ওপর নির্ভর করে।
- পরে প্যানেল বাড়ানো যাবে?
- ইনভার্টার ২,২০০ Wp পর্যন্ত প্যানেল নেয়, এখন আছে ১,২৪০ W। সেই সীমা পর্যন্ত বাড়ানো যাবে, তবে স্ট্রিংয়ের ভোল্টেজ যেন ৪৫০ V ছাড়িয়ে না যায় সেটা দেখে নিতে হবে।
- ইনস্টলেশন আপনারা করেন?
- হ্যাঁ, SurjoX-এর নিজের টিম আছে। ৬৪ জেলায় ডেলিভারি, আর ঢাকার আশপাশে ইনস্টলেশন ও সার্ভিসিং আমরাই করি।

























রিভিউ
এখনো কোনো রিভিউ নেই।